A daily nature photo dosage 15 renowned nature photographers, 365 days - every morning a fresh nature photo from one of us will be here. From the different place in Bangladesh North to the South of Europe - Norway, Sweden, Estonia, Netherlands, Germany, Great Britain, Romania, France, Spain, Italy. And the rest of the World.If you'd like to comment a photo, please do so, if possible, in English. And as we are here under our own names, we'd appreciate if you would do the same when commenting.
Wednesday, 22 May 2013
Friday, 17 May 2013
আওয়ামীলীগের চার বছরের উন্নয়ন মূলক কিছু ফিরিস্তি .........
১. বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যা।
২. জিয়া বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন।
৩. নিজেরগুলোসহ আওয়ামী নেতা-কর্মীদের খুন,ধর্ষন ডাকাতি,
লুটপাটের হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহার।
৪. বেগম খালেদা জিয়াকে তার তিন যুগের ক্যান্টনমেন্টের
বাড়ি থেকে ঈদের পূর্বদিন অমানবিকভাবে উচ্ছেদ।
৫. ভারতের সঙ্গে অধীনতামূলক মিত্রতা চুক্তি সই।ননৃৃািাাঋমৃপ
৬. গোপন চুক্তির মাধ্যমে অথবা কোনো চুক্তি ব্যতীত
ভারতকে রাষ্ট্রবিনাশী করিডোর প্রদান।
৭. টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতার পরিবর্তে সরবে তার
পক্ষে ওকালতি।
৮. দেশের জনগণকে তিস্তা পানি চুক্তির আশা দিয়ে ভারতের
ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ।
৯. ভারতকে বাংলাদেশের জমি একতরফা প্রদান।
১০. বিচারবিভাগসহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নগ্ন
দলীয়করণ।
১১. শেয়ারবাজার থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীর লাখো-
কোটি টাকা ডাকাতি।
১২. পঞ্চম সংশোধনী বাতিল।
১৩. সংবিধান থেকে আল্লাহ্র প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস
উঠিয়ে দেয়া।
১৪. কথিত ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার
নামে সারা দেশে ইসলাম বিরোধী আবহ তৈরি।
১৫. ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের জোর করে বাঙালি বানিয়ে পিতার
মতো পুনরায় পার্বত্য অঞ্চলকে অশান্ত করা।
১৬. তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল।
১৭. বিরোধী মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভয়াবহ
নির্যাতন।
১৮. মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
১৯. সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ।
২০. সরকারে সর্বগ্রাসী দুর্নীতির ভয়াবহ বিস্তার।
২১. ড. ইউনূসসহ সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে অপমান ও
নিগ্রহ।
২২. পারিবারিক জমিদারির মতো করে রাষ্ট্রকে ব্যবহার।
২৩. জাতীয় সংসদকে অকার্যকর, একদলীয় করে তোলা।
২৪. বিরোধী দলীয় চিফ হুইপকে প্রকাশ্য রাজপথে অর্ধউলঙ্গ
করে লাঠিপেটা এবং পুলিশের
গাড়ি থেকে লাথি মেরে ফেলে প্রাণনাশের চেষ্টা করা।
২৫. নাটোরের বাবু, নরসিংদীর লোকমান, ঢাকার চৌধুরী আলমের
মতো জনপ্রতিনিধিদের সরকারি পেটোয়া বাহিনী কর্তৃক
প্রকাশ্যে হত্যা অথবা গুম-খুন।
২৬. দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় বৃদ্ধি।
২৭. আইন-শৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি।
২৮. দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ধস সৃষ্টি।
২৯. দেউলিয়া পররাষ্ট্র নীতির
মাধ্যমে বাংলাদেশকে ইসলামী বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা।
৩০. আমাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের রাজধানী ঢাকা ভাগ।
৩১. ডেস্টেনি/ইউনিপেটুইউ কেলেংকারী।
৩২. হলমার্ক কেলেংকারী।
৩৩. বিসমিল্লাহ গ্রুপ কেলেংকারী।
৩৪. পদ্মা সেতু কেলেংকারী।
৩৫. রেলওয়ের কালো বিড়াল কেলেংকারী।
৩৬. বিশ্বজিৎ হত্যা।
৩৭. একদিনে ৬০ জন মানুষ হত্যার রেকর্ড।
৩৮. রামুতে বৌদ্ধবিহারে আগুন কেলেংকারী।
৩৯. ইলিয়াস আলী সহ বিরোধী দলের অনেক নেতা গুম।
৪০. এমসি কলেজে আগুন।
৪১. বহদ্দার হাট ফ্লাইওভার ট্র্যাজেডি।
৪২. আশুলিয়ায় তাজরিন ফ্যাশন ট্রাজেডি।
৪৩. সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার
না হওয়া এবং গণমাধ্যমের উপর অব্যহত নিপীড়ন।
৪৪. ব্যাংকিং খাত সহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংসকরন।
৪৫. শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল কেলেংকারী।
৪৬. পাঠ্যপুস্তকে ধর্ম অবমাননামূলক বিষয় অর্ন্তভুক্ত করা
১. বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যা।
২. জিয়া বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন।
৩. নিজেরগুলোসহ আওয়ামী নেতা-কর্মীদের খুন,ধর্ষন ডাকাতি,
লুটপাটের হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহার।
৪. বেগম খালেদা জিয়াকে তার তিন যুগের ক্যান্টনমেন্টের
বাড়ি থেকে ঈদের পূর্বদিন অমানবিকভাবে উচ্ছেদ।
৫. ভারতের সঙ্গে অধীনতামূলক মিত্রতা চুক্তি সই।ননৃৃািাাঋমৃপ
৬. গোপন চুক্তির মাধ্যমে অথবা কোনো চুক্তি ব্যতীত
ভারতকে রাষ্ট্রবিনাশী করিডোর প্রদান।
৭. টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতার পরিবর্তে সরবে তার
পক্ষে ওকালতি।
৮. দেশের জনগণকে তিস্তা পানি চুক্তির আশা দিয়ে ভারতের
ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ।
৯. ভারতকে বাংলাদেশের জমি একতরফা প্রদান।
১০. বিচারবিভাগসহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নগ্ন
দলীয়করণ।
১১. শেয়ারবাজার থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীর লাখো-
কোটি টাকা ডাকাতি।
১২. পঞ্চম সংশোধনী বাতিল।
১৩. সংবিধান থেকে আল্লাহ্র প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস
উঠিয়ে দেয়া।
১৪. কথিত ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার
নামে সারা দেশে ইসলাম বিরোধী আবহ তৈরি।
১৫. ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের জোর করে বাঙালি বানিয়ে পিতার
মতো পুনরায় পার্বত্য অঞ্চলকে অশান্ত করা।
১৬. তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল।
১৭. বিরোধী মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভয়াবহ
নির্যাতন।
১৮. মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
১৯. সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ।
২০. সরকারে সর্বগ্রাসী দুর্নীতির ভয়াবহ বিস্তার।
২১. ড. ইউনূসসহ সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে অপমান ও
নিগ্রহ।
২২. পারিবারিক জমিদারির মতো করে রাষ্ট্রকে ব্যবহার।
২৩. জাতীয় সংসদকে অকার্যকর, একদলীয় করে তোলা।
২৪. বিরোধী দলীয় চিফ হুইপকে প্রকাশ্য রাজপথে অর্ধউলঙ্গ
করে লাঠিপেটা এবং পুলিশের
গাড়ি থেকে লাথি মেরে ফেলে প্রাণনাশের চেষ্টা করা।
২৫. নাটোরের বাবু, নরসিংদীর লোকমান, ঢাকার চৌধুরী আলমের
মতো জনপ্রতিনিধিদের সরকারি পেটোয়া বাহিনী কর্তৃক
প্রকাশ্যে হত্যা অথবা গুম-খুন।
২৬. দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় বৃদ্ধি।
২৭. আইন-শৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি।
২৮. দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ধস সৃষ্টি।
২৯. দেউলিয়া পররাষ্ট্র নীতির
মাধ্যমে বাংলাদেশকে ইসলামী বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা।
৩০. আমাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের রাজধানী ঢাকা ভাগ।
৩১. ডেস্টেনি/ইউনিপেটুইউ কেলেংকারী।
৩২. হলমার্ক কেলেংকারী।
৩৩. বিসমিল্লাহ গ্রুপ কেলেংকারী।
৩৪. পদ্মা সেতু কেলেংকারী।
৩৫. রেলওয়ের কালো বিড়াল কেলেংকারী।
৩৬. বিশ্বজিৎ হত্যা।
৩৭. একদিনে ৬০ জন মানুষ হত্যার রেকর্ড।
৩৮. রামুতে বৌদ্ধবিহারে আগুন কেলেংকারী।
৩৯. ইলিয়াস আলী সহ বিরোধী দলের অনেক নেতা গুম।
৪০. এমসি কলেজে আগুন।
৪১. বহদ্দার হাট ফ্লাইওভার ট্র্যাজেডি।
৪২. আশুলিয়ায় তাজরিন ফ্যাশন ট্রাজেডি।
৪৩. সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার
না হওয়া এবং গণমাধ্যমের উপর অব্যহত নিপীড়ন।
৪৪. ব্যাংকিং খাত সহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংসকরন।
৪৫. শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল কেলেংকারী।
৪৬. পাঠ্যপুস্তকে ধর্ম অবমাননামূলক বিষয় অর্ন্তভুক্ত করা
Sunday, 12 May 2013
Mohammed Shurab Hossain Sumon
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
স্বাধীনতাযুদ্ধ
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পুরো সময় জুড়ে লক্ষ্মীপুর জেলায় র্ববর পাকিস্থানি হানাদার ও এদেশিয় রাজাকার বাহিনীর হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষত বিক্ষত ছিল। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের অপ্রতিরোধ্য গেরিলা যুদ্ধ তাদের জন্য আতংকের ছিল। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে লক্ষ্মীপুর হানাদার ও রাজাকার মুক্ত হয়। লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম ব্রিজ, বাগবাড়ি গণকবর, দালাল বাজার গালর্স হাই স্কুল, মডেল হাই স্কুল , মদিন উল্যা চৌধুরী (বটু চৌধুরী) বাড়ি, পিয়ারাপুর বাজার, মান্দারী মসজিদ ও প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, এল.এম. হাই স্কুল ও ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, রামগতির চর কলাকোপা মাদ্রাসা, রামগতি ওয়াপদা বিল্ডিং, আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, হাজিরহাট মসজিদ, করইতলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন গোডাউন, রামগঞ্জ গোডাউন এলাকা, রামগঞ্জ সরকারী হাই স্কুল, জিন্নাহ হল (জিয়া মাকের্ট) ও ডাক বাংলো হানাদার ও রাজাকার ক্যাপ এবঙ গণহত্যার স্থান। এদিকে লক্ষ্মীপুর বেগমগঞ্জ সড়কে প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল, মান্দারী মসজিদ, মাদাম ঘাট ও বাগবাড়ি, লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কে দালাল বাজার, কাজীর দিঘীর পাড়, কাফিলাতলী, পানপাড়া, মিরগঞ্জ, পদ্মা বাজার, মঠের পুল এবং রামগঞ্জের হাই স্কুল সড়ক ও আঙ্গারপাড়া, লক্ষ্মীপুর- রামগতি সড়কে চর কলাকোপার দক্ষিণে জমিদার হাট সংলগ্ণ উত্তরে, করুণানগর, হাজির হাট আলেকজান্ডার এবং রামগতি থাণা ও ওয়াপদা বিল্ডিঙ এলাকা, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা ও এল.এল হাই স্কুল এলাকায় অধিকাংশ যুদ্ধা সঙগঠিত হয়। এসময় হাজার হাজার নিরীহ মানুষ এবঙ ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শীহদ হন। এছাড়া মুক্তিবাহিনীর হাতে শত শত হানাদার ও রাজাকার নিহত হয়।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলার শহদি মুক্তিযোদ্ধা তালিকাঃ
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা
০১. রবীন্দ্র কুমার সাহা (ভাবানীগঞ্জ)
০২. মনসুর আহমেদ (ছাবিলপুর)
০৩. আলী আজম (নন্দনপুর)
০৪. লোকমান মিয়া ( জামিরতলা)
০৫. জয়নাল আবেদিন (চররুহিতা)
০৬. মোহাম্মদ হোসেন (ফতেহপুর)
০৭.আবদুল বাকির (নরসিহপুর)
০৮. জহিরুল ইসলাম (সৈয়দপুর)
০৯. আহাম্মদ উল্লাহ (উড়িষার কান্দি)
১০. আবদুল মতিন (বাঙ্গাখাঁ)
১১. মাজহারুল মনির সবুজ (আলীপুর)
১২. চাঁদ মিয়া (আলীপুর)
১৩. নায়েক আবুল হাশেম (সমাসপুর)
১৪. মো: মোস্তফঅ মিয়া (জামিরতলা)
১৫. নুর মোহাম্মদ (বড়লিয়া)
১৬. রুহুল আমিন (আঠিয়াতলি)
১৭. আবুল খায়ের (বাঞ্চানগর)
১৮. আবদুল হাই (রোকনপুর)
১৯. মমিন উল্যা (রোকনপুর)
২০. আবু ছায়েদ (সোনাপুর)
২১. আব্দুল হালিম বাসু (বাঙ্গাখাঁ)
২২. এস এম কামাল (পালপাড়া)
২৩. মিরাজ উল্ল্যা (উড়িষার কান্দি)
রায়পুর উপজেলা
০১. মোঃ আতিক উলাহ (কেরোয়া)
০২. মোঃ মোস্তফা (উত্তর কেরোয়া)
০৩. ইসমাইল মিয়া (উত্তর সাগরদি)
০৪. আবদুল্লাহ (কেরোয়া)
০৫. আবুল খায়ের ভুতা (চর মোহনা)
০৬. সাহাদুলা মেম্বার (চর পাংগাসিয়া)
০৭. আবুল কালাম (উত্তর সাইচা)
রামগতি
০১. মোস্তাফিজুর রহমান (তোরাবগঞ্জ)
০২. বেনু মজুমদার (চর জাঙ্গালিয়া)
০৩. আলী মোহাম্মদ (তোরাবগঞ্জ)
রামগঞ্জ
০১. শহীদ নজরুল ইসলাম (মাঝিরগাঁ)
০২. আবদুল রশিদ (কাঞ্চনপুর)
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর লক্ষ্মীপুর জেলা ইউনিট কমান্ডের তালিকা:
ক্রমিক নং
নাম
পদবী
ফোন/মোবাইল নং
ই-মেইল নং
আনোয়ারুল হক
ইউনিয়ট কমান্ডার
০১৮২৬৩৪৫৩৮১
০১.
কাজল কান্তি দাস
ডেপুটি ইউনিট কমান্ডার
০১৭১৮০৯৯৪৮
০২.
মোঃ নুরুজ্জামান
ডেপুটি ইউনিট কমান্ডা
০১৭১২২৭৭১৯৩
০৩.
মোঃ সিরাজ উল্যা
সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক)
০৪.
মোঃ মোস্তফা কামাল
সহকারী কমান্ডার (তথ্য ও প্রচার)
০৫.
জি এম মহসীন রেজা
সহকারী কমান্ডার (যুদ্ধাহত ও পুনর্বাসন)
০১৭১০৬৮৪৯২৭
০৬.
মোঃ গিয়াস উদ্দিন
সহকারী কমান্ডার (অর্থ)
০১৭১১০২৬৫৪৮
০৭.
মোঃ আমির হোসেন
সহকারী কমান্ডার (সাহিত্য ও সংস্কৃতি)
০১৮১৩২১১৫৫৬০
০৮.
ল্যাঃ নায়েক মুজবর হক
সহকারী কমান্ডার (ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ)
০১৮১৪৩১৭২০৫
০৯.
মোঃ আবুল হোসেন খাঁন
সহকারী কমান্ডার (ক্রীড়া)
০১৯১১৯৮৭৭৩১
১০.
ল্যাঃ নায়েক আমির হোসেন
সহকারী কমান্ডার (শ্রম ও জনশক্তি)
০১৮১২৬০৭৭৩৯
১১.
আলী আহম্মেদ চৌধুরী
সহকারী কমান্ডার (দপ্তর)
০১৭২৪১৮৫২০৫
১২.
তোফাজ্জল হোসেন
সহকারী কমান্ডার(প্রকল্প ও সমবায়)
০১৯১৬৮২০২২২
১৩.
মোঃ নাজিম উদ্দিন
সহকারী কমান্ডার (শিক্ষা, পাঠাগার ও মিলনায়তন)
০১৭৫৩২৪২৩৪৩
১৪.
আবুল বাশার পাটোয়ারী
কার্যকরী সদস্য
০১৭২৭৫৫৯৪৬৪
১৫.
সুবেদার (অবঃ) মোঃ আঃ মতিন পাটোয়ারী
কার্যকরী সদস্য
০১৭১৬৮৮৯৫০৭
১৬.
মোঃ সুজায়েত উল্যা
কার্যকরী সদস্য
স্বাধীনতাযুদ্ধ
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পুরো সময় জুড়ে লক্ষ্মীপুর জেলায় র্ববর পাকিস্থানি হানাদার ও এদেশিয় রাজাকার বাহিনীর হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষত বিক্ষত ছিল। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের অপ্রতিরোধ্য গেরিলা যুদ্ধ তাদের জন্য আতংকের ছিল। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে লক্ষ্মীপুর হানাদার ও রাজাকার মুক্ত হয়। লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম ব্রিজ, বাগবাড়ি গণকবর, দালাল বাজার গালর্স হাই স্কুল, মডেল হাই স্কুল , মদিন উল্যা চৌধুরী (বটু চৌধুরী) বাড়ি, পিয়ারাপুর বাজার, মান্দারী মসজিদ ও প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, এল.এম. হাই স্কুল ও ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, রামগতির চর কলাকোপা মাদ্রাসা, রামগতি ওয়াপদা বিল্ডিং, আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, হাজিরহাট মসজিদ, করইতলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন গোডাউন, রামগঞ্জ গোডাউন এলাকা, রামগঞ্জ সরকারী হাই স্কুল, জিন্নাহ হল (জিয়া মাকের্ট) ও ডাক বাংলো হানাদার ও রাজাকার ক্যাপ এবঙ গণহত্যার স্থান। এদিকে লক্ষ্মীপুর বেগমগঞ্জ সড়কে প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল, মান্দারী মসজিদ, মাদাম ঘাট ও বাগবাড়ি, লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কে দালাল বাজার, কাজীর দিঘীর পাড়, কাফিলাতলী, পানপাড়া, মিরগঞ্জ, পদ্মা বাজার, মঠের পুল এবং রামগঞ্জের হাই স্কুল সড়ক ও আঙ্গারপাড়া, লক্ষ্মীপুর- রামগতি সড়কে চর কলাকোপার দক্ষিণে জমিদার হাট সংলগ্ণ উত্তরে, করুণানগর, হাজির হাট আলেকজান্ডার এবং রামগতি থাণা ও ওয়াপদা বিল্ডিঙ এলাকা, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা ও এল.এল হাই স্কুল এলাকায় অধিকাংশ যুদ্ধা সঙগঠিত হয়। এসময় হাজার হাজার নিরীহ মানুষ এবঙ ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শীহদ হন। এছাড়া মুক্তিবাহিনীর হাতে শত শত হানাদার ও রাজাকার নিহত হয়।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলার শহদি মুক্তিযোদ্ধা তালিকাঃ
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা
০১. রবীন্দ্র কুমার সাহা (ভাবানীগঞ্জ)
০২. মনসুর আহমেদ (ছাবিলপুর)
০৩. আলী আজম (নন্দনপুর)
০৪. লোকমান মিয়া ( জামিরতলা)
০৫. জয়নাল আবেদিন (চররুহিতা)
০৬. মোহাম্মদ হোসেন (ফতেহপুর)
০৭.আবদুল বাকির (নরসিহপুর)
০৮. জহিরুল ইসলাম (সৈয়দপুর)
০৯. আহাম্মদ উল্লাহ (উড়িষার কান্দি)
১০. আবদুল মতিন (বাঙ্গাখাঁ)
১১. মাজহারুল মনির সবুজ (আলীপুর)
১২. চাঁদ মিয়া (আলীপুর)
১৩. নায়েক আবুল হাশেম (সমাসপুর)
১৪. মো: মোস্তফঅ মিয়া (জামিরতলা)
১৫. নুর মোহাম্মদ (বড়লিয়া)
১৬. রুহুল আমিন (আঠিয়াতলি)
১৭. আবুল খায়ের (বাঞ্চানগর)
১৮. আবদুল হাই (রোকনপুর)
১৯. মমিন উল্যা (রোকনপুর)
২০. আবু ছায়েদ (সোনাপুর)
২১. আব্দুল হালিম বাসু (বাঙ্গাখাঁ)
২২. এস এম কামাল (পালপাড়া)
২৩. মিরাজ উল্ল্যা (উড়িষার কান্দি)
রায়পুর উপজেলা
০১. মোঃ আতিক উলাহ (কেরোয়া)
০২. মোঃ মোস্তফা (উত্তর কেরোয়া)
০৩. ইসমাইল মিয়া (উত্তর সাগরদি)
০৪. আবদুল্লাহ (কেরোয়া)
০৫. আবুল খায়ের ভুতা (চর মোহনা)
০৬. সাহাদুলা মেম্বার (চর পাংগাসিয়া)
০৭. আবুল কালাম (উত্তর সাইচা)
রামগতি
০১. মোস্তাফিজুর রহমান (তোরাবগঞ্জ)
০২. বেনু মজুমদার (চর জাঙ্গালিয়া)
০৩. আলী মোহাম্মদ (তোরাবগঞ্জ)
রামগঞ্জ
০১. শহীদ নজরুল ইসলাম (মাঝিরগাঁ)
০২. আবদুল রশিদ (কাঞ্চনপুর)
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর লক্ষ্মীপুর জেলা ইউনিট কমান্ডের তালিকা:
ক্রমিক নং
নাম
পদবী
ফোন/মোবাইল নং
ই-মেইল নং
আনোয়ারুল হক
ইউনিয়ট কমান্ডার
০১৮২৬৩৪৫৩৮১
০১.
কাজল কান্তি দাস
ডেপুটি ইউনিট কমান্ডার
০১৭১৮০৯৯৪৮
০২.
মোঃ নুরুজ্জামান
ডেপুটি ইউনিট কমান্ডা
০১৭১২২৭৭১৯৩
০৩.
মোঃ সিরাজ উল্যা
সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক)
০৪.
মোঃ মোস্তফা কামাল
সহকারী কমান্ডার (তথ্য ও প্রচার)
০৫.
জি এম মহসীন রেজা
সহকারী কমান্ডার (যুদ্ধাহত ও পুনর্বাসন)
০১৭১০৬৮৪৯২৭
০৬.
মোঃ গিয়াস উদ্দিন
সহকারী কমান্ডার (অর্থ)
০১৭১১০২৬৫৪৮
০৭.
মোঃ আমির হোসেন
সহকারী কমান্ডার (সাহিত্য ও সংস্কৃতি)
০১৮১৩২১১৫৫৬০
০৮.
ল্যাঃ নায়েক মুজবর হক
সহকারী কমান্ডার (ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ)
০১৮১৪৩১৭২০৫
০৯.
মোঃ আবুল হোসেন খাঁন
সহকারী কমান্ডার (ক্রীড়া)
০১৯১১৯৮৭৭৩১
১০.
ল্যাঃ নায়েক আমির হোসেন
সহকারী কমান্ডার (শ্রম ও জনশক্তি)
০১৮১২৬০৭৭৩৯
১১.
আলী আহম্মেদ চৌধুরী
সহকারী কমান্ডার (দপ্তর)
০১৭২৪১৮৫২০৫
১২.
তোফাজ্জল হোসেন
সহকারী কমান্ডার(প্রকল্প ও সমবায়)
০১৯১৬৮২০২২২
১৩.
মোঃ নাজিম উদ্দিন
সহকারী কমান্ডার (শিক্ষা, পাঠাগার ও মিলনায়তন)
০১৭৫৩২৪২৩৪৩
১৪.
আবুল বাশার পাটোয়ারী
কার্যকরী সদস্য
০১৭২৭৫৫৯৪৬৪
১৫.
সুবেদার (অবঃ) মোঃ আঃ মতিন পাটোয়ারী
কার্যকরী সদস্য
০১৭১৬৮৮৯৫০৭
১৬.
মোঃ সুজায়েত উল্যা
কার্যকরী সদস্য
Subscribe to:
Comments (Atom)